ব্রেকিং নিউজ
Home / বিনোদন / অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ে ভাঙতে নিজের হাতে কেটে রক্তাক্ত জানভি

অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার বিয়ে ভাঙতে নিজের হাতে কেটে রক্তাক্ত জানভি

 

ঐশ্বরিয়া রায়কে বিয়ের আগে অভিষেক বচ্চনের রানি মুখার্জি ও কারিশমা কাপুরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। কারিশমার সঙ্গে তো বিয়ের কথা বার্তাও অনেকটা এগিয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বাগদান সারেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। একই বছরের ২০ এপ্রিল সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা। কিন্তু বিয়ের দিন এক অভিনেত্রী অভিষেকের প্রথম স্ত্রী বলে দাবি করেন। মুম্বাইয়ের জুহুতে অবস্থিত অভিষেকের বাড়ি ‘প্রতীক্ষা’-এর বাইরে দাঁড়িয়ে এই বিয়ে ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি।

মেয়েটির নাম জানভি কাপুর। শ্রীদেবীর বড় মেয়ে জানভির কল্যাণে এই নাম বলিউডে খুব পরিচিতি পেলেও এই জানভি কাপুর আরেকজন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে খুব একটা পরিচিত নন তিনি। মাত্র কয়েকটি ছবিতে কাজ করেছেন। তাও পার্শ্বচরিত্রে। অভিষেকের সঙ্গেও একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

জানা গেছে, ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার ‘দাস’ ছবিতে অভিষেকের একটি নাচের দৃশ্যে পেছনের সারিতে দেখা যায় তাকে। এর দুই বছর পর অভিষেক বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়াকে।

কিন্তু বিয়ের রাতে বরযাত্রী বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক সেই সময়ে বরযাত্রীর ভিড়ের মাঝে হাজির হন জানভি। নিজের হাতের শিরা কেটে ফেলেন। রক্তাক্ত অবস্থায় অভিষেককে নিজের স্বামী দাবি করেন তিনি। এমন ঘটনার পর উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু হয়।

জানভির দাবি, ‘দাস’ ছবির শুটিং সেটে তার সঙ্গে অভিষেকের বন্ধুত্বের সূচনা। অভিষেক-জানভির মধ্যে ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারও আদানপ্রদান হয়েছিল। ফোন, ই-মেইলে তারা কথা বলতেন। পরস্পরের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। অভিষেক তাকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়েও করেছিলেন। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিল বচ্চন পরিবার।

পুলিশ জানভিকে থানায় নিয়ে যায় এবং তাকে সাহায্যের আশ্বাস দেয়। তবে অভিনেত্রী বিয়ের কাগজ বা প্রমাণ দিতে পারেনি পুলিশকে। এ খবর ঐশ্বরিয়ার কানেও পৌঁছেছিল। তবে বুদ্ধিমতী ঐশ্বরিয়া এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। বরং সব রীতি মেনে ওই দিনই বিয়ে করেন অভিষেককে।

সেদিন কথা না বললেও পরে অমিতাভ-অভিষেক বিষয়টিকে মনগড়া বলে উড়িয়ে দেন। তাদের দাবি—পরিচিতি পাওয়ার জন্যই জানভি এ কাজ করেছিলেন।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।